মুখের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফলমূল শাকসবজি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ?

সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। সব মানষু ই সুন্দর,উজ্জ্বল চকচকে ত্বকের স্বপ্ন দেখে। অনেকে বিভিন্ন ধরনের সৌন্দর্য বদ্ধিৃর বিজ্ঞাপন দেখে এবং সৌন্দর্য বদ্ধিৃর জন্য অনেক ধরনের প্রসাধন সামগ্রী কিনে থাকে। কিন্তু চিন্তা করেননা যে জিনিসগুলো ত্বকের জন্য উপযুক্ত কিনা! 

প্রসাধন সামগ্রীগুলোতে কেমিক্যাল বা ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহৃত হয় যা কিছু সময়ের জন্য

Advertisements

ত্বকে কিছুটা উপকার করলেও কিছুদিন পরেই ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করতে পারে যা ত্বকের নিচে বিদ্যমান কোলাজেন এবং ইলাস্টিন ফাইবার নষ্ট করে থাকে। 

যার ফলে ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা, উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়। ত্বক সুন্দর থাকলে কোনরকম প্রসাধনীর ব্যবহার ছাড়াই অনেক আকর্ষণীয় লাগে আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি মানুষ  যেমন আকৃষ্ট হয় তেমনি সুন্দর ত্বকের অধিকারীও খুবই সহজে মানুষের মনে স্থান করে নেয়।

তাই বিভিন্ন বাজার চলিত জিনিসের বদলে ঘরোয়া ভাবে ত্বকের যত্ন নেয়া প্রয়োজন যার মাধ্যমে ত্বক কেমিক্যাল এর বিষাক্ত প্রভাব থেকে রেহাই পাবে।

এছাড়াও ফলমূল,  পরিমাণমত পানি, শাকসবজি ইত্যাদি ত্বককে ভিতর থেকে রক্ষা করে। এখন বাজারে অনেক মৌসুমি ফল পাওয়া যাচ্ছে।

যেমন:  ১) আম – শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য উপকারী এবং ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।

২) লেবু –  ত্বকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান যার মাধ্যমে সূর্যের তাপে ক্ষতি হওয়া ত্বক রক্ষা পায়।

Related Post

৩) কলা– যাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকে যা ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারী উপাদান।

৪) আনারসে –  প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে যা মৃতপ্রায় টিস্যুগুলোকে পুনরুদ্ধার করে।

৫) শসাতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে যা ডার্ক সার্কেল, চোখ স্ফীতি দূর করা ছাড়াও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৬) পেঁপে –  ত্বকের মৃত কোষগুলোকে অপসারণ করে। উপরের ফুলগুলোতে ভিটামিন A,C,B1 এবং B6 থাকে যা ত্বকের জন্য অধিক উপকারী। এছাড়াও অন্যান্য ফলমূল, সবজি শাকসবজি ভেতর থেকে ত্বকের উপকার করে থাকে।

এছাড়া, প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো ত্বকের মাধ্যমে বের হয়ে যায় যা ত্বককে রক্ষা করে। তাই আমাদের উচিৎ পানি এবং ফলমূল খাওয়া এবং পরিমাণমতো ঘুম আর রাত না জাগা। তবেই সম্ভব নিজেকে এবং ত্বককে সতেজ রাখা।

লেখকঃ সাদিয়া শবনম ইমো

শিক্ষার্থী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়