ক্ষমা চাইলেন নোবেল

একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়েই চলেছেন মাইনুল আহসান নোবেল। যেনো সবসময় সমালোচনায় থাকতে চান, বলছে নোবেলের আচরনের ঠিক বিপরীত দিকে থাকা মানুষগুলো। এমনকি নোবেলের অনেক ভক্তরাও এ কথা বলতে বাকি রাখেননি। নগর বাউল হিসেবে খ্যাত কিংবদন্তী জেমসকে নিয়ে নানা অপমানমূলক মন্তব্য করেছেন নোবেল।

জেমসসের ভক্তরা বলছে, যার গান গিয়ে আজ নোবেল পরিচিতি পেয়েছে তাদেরকেই টেক্কা দিচ্ছ, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। এ যেনো হাতি আর পিঁপড়ের চ্যালেঞ্জের মত,, বলছে নোবেলের বিরোধীর। কখনো ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আবার কখনো গুনী কোনো শিল্পীকে নিয়ে। তামাশা গানটি প্রচারের জন্যে কম তামাশা করেননি নোবেল। শেষমেষ নিজেই ক্ষমা চেয়েছেন।

Advertisements

আর তিনি এটিও স্বীকার করেছিলে। এ সমালোচনাটি মূলত তামাশা গানটি প্রচারের জন্যই করেছি আমি। এরপর এখন তো সময় টিভির এক সাংবাদিককে পর্যন্ত হুমকি দিয়েছেন মাইনুল আহসান নোবেল। এ নিয়ে সময় টিভি নোবেলর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। আর সাংবাদিকদের সংগঠন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, এ বিষয়ে নোবেল ক্ষমা না চাইলে আমরা নোবেলকে বয়কট করব। আর নোবেলকে নিয়ে যারা কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিবো।

Related Post

শেষমেষ ক্ষমা চাইলেন মাইনুল আহসান নোবেল আর তার ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন –

”রোড এক্সিডেন্ট এর পর আমাকে কেউ একবার কল করে খবর নিল না। নিজের আবেগ আসলে ধরে রাখতে পারি নাই।  আমি মাত্র ২৪ বছর বয়সী একজন তরুন শিল্পী। আমিও তো দেশের জন্য সুনাম কুড়িছে এনেছি। আমি না হয় ভুল করব। সেগুলি ভুল ধরে দেওয়ার দায়িত্ব তো আপনাদের। সেখানে অনেকেই আমাকে প্রতিনিয়ত হেয় করছেন। তাই আসলে রাগ সামলাতে পারিনি। আমি সকল সাংবাদিক ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কথা দিচ্ছি পরবর্তীতে এরকম ভুল আর হবে না… সবাইকে ভালোবাসা… ঈদ মোবারক।”

আঁধার আলো/এএলও