আবার ফিরবো পদ্মার তীরে 

আবার ফিরবো পদ্মার তীরে 

রাজশাহী নামটি মাথায় আসলেই আমাদের মাথায় আসে মুক্ত বাতাসের এক নগরীর কথা।তবে এই নামটি কোথা থেকে আসল তা জানতে আমাদের কয়েক শতাব্দী পূর্বে ফিরে যেতে হবে।এই শহরের প্রাচীন নাম ছিল মহাকাল গড়।

কালের বিবর্তনে তা রামপুরা–বোয়ালিয়া হয়ে বর্তমানে রাজশাহীতে পরিণত হয়েছে।ঐতিহাসিকগণ মনে করেন এই নগরী গড়ে ওঠার মূল কারিগর পদ্মা নদী। নদীর কোল ঘেসে গড়ে ওঠা এই শহরকে বহুবার প্লাবিত করেছে এই সর্বনাশা পদ্মা।

Advertisements

তবে বর্তমানে শহর রক্ষা বাধ যেন আগলে রেখেছে পুরো শহরকে সাথে সাথে বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে শহরের সৌন্দর্যকে।পুরো বাধ জুড়েই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র। পদ্মা গার্ডেন,আই–বাধ,টি–বাধ,ফুলতলা, নবগঙ্গা তারই একাংশ।

শহরের মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এই সকল স্থান গুলো।মুঠোফোনের মুঠোয় আবদ্ধ এই লোকালয় যেন হাফ ছেড়ে বাচাতে ছুটে আসে এই নদীর পাড়ে।পদ্মার সেই চিরচেনা কোলাহল যেন শান্ত করে দেয় মানুষের মন।তবে শুধু বাতাসেই নয় নানা পদের খাবারের টানেও ছুটে আসে মানুষ।

এই যে ধরেই নিন না সীমান্ত নগরের বাহারি সব চা।আহা! কি সব বাহারি তার নাম। টি–বাধের পেয়ারা মাখা সহ দশ পদের আচারও কিছু কম যায় না। তবে অনেকের কাছে প্রধান্য পায় আবার নৌকা ভ্রমণ। শহরের সব কোলাহল থেকে দূরে,নদীর স্রোতে যায় তারা হারিয়ে।

তবে আজ যেন স্তব্ধ হয়েছে পুরো শহর।যেন থেমে গেছে নদীর কোলাহল।হয়ত এই বিধির লেখা। তবে নেই বেশি দেরি হবে আবার দেখা। শান্তির শহরে নদীর সেই পুরনো কোলাহল। ততদিনে মোরা থাকি একে অপরের অপরের পাশে আত্মার বন্ধনে।

 

মোঃ গাজী সালাহ্ উদ্দিন

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, রাবি